সন্তান ইমান ও তাকওয়ায় বলিষ্ঠ হয়ে বড় হবে। নিজের, পরিবার পরিজনের, সমাজের ও রাষ্ট্রের কল্যাণে তার যোগ্যতা ব্যয় হবে, উপরন্তু পরকালের মুক্তি ও কল্যাণের উদ্দেশে সর্বশক্তি নিয়োজিত করে কাজ করে যাবে, এ ধরনের আকাঙ্ক্ষা প্রতিটি মুমিন পিতার থাকাটা স্বাভাবিক। তবে এ-প্রকৃতির সন্তান অর্জনের জন্য প্রয়োজন সালেহা বা সতী-সাধ্বী নারীর, যিনি তার সন্তানদের সুশিক্ষিত, আদর্শমান করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সকল যোগ্যতায় সিদ্ধ। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে এ বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।
বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে ভাগ্য তথা কাযা ও কদর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে এবং মুসলমানদের মাঝে কেউ কেউ এ ব্যাপারে যে ভুল ধারণা পোষণ করেন তা নিরসনের চেষ্টা করা হয়েছে।
রজব নিয়ে অলীক ভাবনা : আল্লাহ চারটি মাসকে সম্মানিত করেছেন। এ চার মাসে পাপ কাজে লিপ্ত হওয়া অধিকতর অপরাধ। এস সময়ে সৎকর্মের ছাওয়াব অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। রজব মাস এরকম একটি সুযোগ। কিন্তু মানুষ এ মাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বেদআত-কুসংস্কার প্রচলন করেছে। বক্ষমান প্রবন্ধ এ বিষয়টি সুন্দরভাবে চিত্রিত করেছে।
রজব মাস সম্পর্কে জ্ঞাতব্য : বিভিন্ন সময় ও মাসকে কেন্দ্র করে এবাদত কেন্দ্রিক যে সমস্ত অপসংস্কার ও বেদআত গড়ে উঠেছে- রজব মাস, তাতে নানাবিধ এবাদত পালন, রোজা রাখা, রাত জাগা, সামাজিকভাবে উদযাপনের আয়োজন করা তার অন্যতম। শরিয়তের সুস্থ বিচারে এ ব্যাপারে আমরা কোন প্রকার দলীল পাই না। বিষয়টি নিয়ে কুরআন ও হাদিস দ্বারা একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এটি। পাঠক খুবই মুগ্ধ হবেন আশা করি।
কোনো বিষয়ে ইখতিলাফ-মতানৈক্য সৃষ্টি হলে কিতাবুল্লাহ ও সুন্নতে রাসূলের আশ্রয়ে যাওয়া প্রতিটি মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য। বিশেষ করে দীনী মাসায়েলের ক্ষেত্রে ইখতিলাফ-মতানৈক্য হলে উলামা ও ইসলাম প্রচারকদের উচিত হবে একজনের কথাকে অন্যজনের কথার উপর প্রধান্য না দিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কিতুল্লাহ ও সুন্নতে রাসূলের আলোকে তার যথার্থ সমাধান বের করা। বক্ষ্যমাণ বইটি এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই রচিত।
সূরা আল আসর একটি গুরুত্বপূর্ণ সূরা। এ সূরায় এমন কিছু মৌলিক শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা রয়েছে যা অনুধাবন করতে পারলে, আমলে আনতে পারলে তাকওয়াপূর্ণ জীবনযাপন অনেকটাই সহজ হবে। ইমাম শাফেয়ী রহ. বলেছেন, ‘মানুষ যদি এ-সূরাটি নিবিষ্ট হৃদয়ে অধ্যয়ন করে তবে তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে। বর্তমান প্রবন্ধটি এ বিষয়টিকে ঘিরেই।
প্রশ্ন : মহিলাদের জন্য প্রাণী জবাই করা বৈধ কি-না? তাদের জবেহকৃত জন্তু খাওয়া জায়িজ কি-না জানতে চাই?
ইসলামী অর্থনীতিবিদগণের মতে শুধু বস্তুগত কল্যাণ ইসলামী অর্থনীতির উদ্দেশ্য নয়। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বস্তুগত ও আধ্যাত্মিক কল্যাণ সাধন করা ইসলামী অর্থনীতির অন্যতম লক্ষ্য। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে এ বিষয়ের উপরই আলোকপাত করা হয়েছে।
প্রশ্ন : কেনা-কাটার ক্ষেত্রে মুসলমানের পারস্পরিক সহযোগিতা পরিহার করা যেমন- কোনো কিছু কেনার প্রয়োজন হলে মুসলিমের দোকান থেকে না কিনে অমুসলিমের দোকান থেকে ক্রয় করা ইত্যাদি প্রবণতাকে শরিয়ত কোন দৃষ্টিতে দেখে?