ফতোয়াটি একটি প্রশ্নের উত্তরে প্রদত্ত হয়েছে। প্রশ্নটি হল- একজন নারীর জন্য তিনজন অথবা চারজন পুরুষ বিয়ে করা কেন বৈধ নয়, অথচ পুরুষের জন্য তিনজন অথবা চারজন বিয়ে করা বৈধ?
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরে ফতোয়াটি প্রদান করা হয়েছে। প্রশ্ন হল -আমার স্বামীর সাথে আচরণের ক্ষেত্রে সমস্যায় ভুগছি। আমি জানি সে আমাকে আহ্বান করলে, মানসিকভাবে প্রস্তুত না থাকলেও, তার কক্ষে যাওয়া আমার জন্য আবশ্যক। আরও জানি যে মিথ্যা বলা ন্যক্কারজনক অপরাধ। তবে আমার স্বামীকে খুশি করা আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। এমতাবস্থায়, আমি পরিতৃপ্ত হয়েছি বলে ভান ধরা কী জায়েয হবে? আসলে আমি এই সমস্যায় ভুগছি। আমি মিথ্যাও বলতে চাই না, আবার সে আমাকে পরিতৃপ্ত করতে পারেনি এ-কথা বলে তাকে বিব্রতও করতে চাই না।
এভাবে পরিতৃপ্তির ভান ধরা থেকে বিরতও হতে পারছি না, আবার সে বিব্রত বোধ করবে ভয়ে তাকে খোলাখুলি বলতেও পারছি না। আশা করি আপনি আমাকে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেবেন। আর আপনার দুয়ায় আমাকে ভুলবেন না।
আল কুরআনের সংক্ষিপ্ত তাফসির: সরল ও সাবলীল বাংলায় অনুবাদসহ বিভিন্ন আয়াতে সন্বিবিষ্ট মৌলিক শিক্ষণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে সংক্ষিপ্ত এ তাফসিরে। অনুবাদের ক্ষেত্রে আল বায়ান ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত আল কুরআনের সরল অর্থানুবাদ- এর আশ্রয় নেয়া হয়েছে। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে সূরা বাকারার ১ আয়াত থেকে ২০ আয়াত পর্যন্ত ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে গবেষণা, চিন্তা-ভাবনা, সৃষ্টিজগতের বৈচিত্র-ব্যাপকতা নিয়ে ভাবা মানুষের হৃদয়ে আল্লাহর আযমত সৃষ্টি করায় সাহায্য করে, ইমান-বিশ্বাসে আনয়ন করে বলিষ্ঠতা, হৃদয়ে সঞ্চারিত করে আল্লাহর ভয়। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে এ বিষয়টির উপরই আলোকপাত করা হয়েছে।
মানুষ ভুল করে, ভুলে যায়, শয়তানের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তার পা পিছলে যায়, ফলে অন্যায় ও পাপকর্মে জড়িয়ে গিয়ে নিজেকে কলুষিত করে। তবে যদি সে তাওবা করে ফিরে আসে, কৃতকর্মের প্রতি লজ্জিত হয়, কৃত পাপকর্মে আর কখনো ফিরে যাবে না বলে অঙ্গীকার করে, আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার প্রতি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয় তাহলে আল্লাহ তাআলা এতোই খুশি হন যার কোনো উদাহরণ মনুষ্য-জগৎ থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে এ বিষয়টির উপরই আলোকপাত করা হয়েছে।
কেন এতগুলো ধর্ম? বস্তুনিষ্ঠ আলোচনায় এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে। একমাত্র আল্লাহ তাআলা হলেন ধর্মের উৎস। তবে মানুষ আল্লাহর পথ ছেড়ে দিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে বিভিন্ন মত ও পথে , অতঃপর উন্মেষ ঘটেছে নানা ধর্মদর্শনের। এসব ধর্মদর্শনের কোনোটিই আল্লাহর কাছে স্বীকৃত নয়, আল্লাহর কাছে একমাত্র স্বীকৃত দীন হল ইসলাম। তাই যারা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্ম গ্রহণ করবে আল্লাহ তাদের ধর্ম প্রত্যাখ্যান করবেন। এ ক্ষেত্রে আদৌ কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
মাতা-পিতার হাত ধরেই সন্তান প্রবেশ করে কোলাহলময় পৃথিবীতে, গাত্রে লাগায় ইহজাগতিক আলো-বাতাস। মাতা-পিতার কাছ থেকেই শেখে প্রথম শব্দমালা। তাই মাতা-পিতার স্কন্ধেই অর্পিত সন্তানকে যথার্থরূপে মর্দে মুমিন তথা মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তোলার দায়িত্ব। বর্তমান প্রবন্ধে এ বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।
বর্তমান প্রবন্ধে ইখলাসের দুই সূরা অর্থাৎ সূরা কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ ও সূরা কুল য়্যা আইয়ুহাল কাফিরুন, এই সূরা দ্বয়ে যেসব দীক্ষণীয় দিক রয়েছে তা বিষদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এ সূরা দ্বয়ের কুরানিক শিক্ষাসমূহ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে একজন মুমিনের জীবনে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসতে বাধ্য।
বক্ষমান প্রবন্ধে সুস্থ সমাজ বিণির্মানে হারাম বস্তু বিষয় পরিত্যাগ করার গুরুত্ব ও হারাম থেকে সাবধান থাকার বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
এ নিবন্ধে কুরআনুল কারিম হিফজ করা ও তা আয়ত্ত্বে রাখার পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে যেমন হিফজ করার পূর্ব প্রস্তুতি তথা ইখলাস, কুরআনের মহত্ত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে জ্ঞানার্জন, মুখস্থ করার নিয়ম সম্পর্কে জ্ঞানার্জন ও হিফজ শেষ করে করণীয় সম্পর্কে জ্ঞানার্জন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।